পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনাম
• চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীকে বোমা দিয়ে ফাসানোর চেষ্টা, সাজানো ঘটনায় জালালের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল • নবীনগরে যাত্রীবেশে সাড়ে ৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ছিনতাই, গ্রেপ্তার ১। • টঙ্গীতে ফ্ল্যাট ক্রেতার অভিনব জালিয়াতি: লক্ষ্য এবার পুরো ভবন দখল • আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সায়েম • আওয়ামী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট এর পথশিশুদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ • বিমানবন্দরের বিশৃঙ্খলার অভিযোগে সাবেক এমপি ও জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি! • দেহেরগতি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হয়ে জনগণের সেবা করতে চান শাহীন মাঝি
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

প্রেমের টানে ফুলবাড়ির তরুণীকে বিয়ে করতে ছুটে এলেন চীনা যুবক

মোঃ কাজল ইসলাম
মোঃ কাজল ইসলাম , জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মেয়ে মোরশেদা বেগমের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয় চীনের যুবক আন হুং ওয়েই’র। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, এরপর ভালো লাগা আর সেখান থেকেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। হাজার মাইল দূরত্বও শেষ পর্যন্ত তাদের ভালোবাসার পথে বাধা হতে পারেনি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় অবস্থানকালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথমে কথা হয় মোরশেদা ও আন হুং ওয়েই’র। ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়। একপর্যায়ে প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন আন হুং ওয়েই। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে দেশীয় রীতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বর্তমানে এই দম্পতি মোরশেদা বেগমের গ্রামের বাড়ি ফুলবাড়ীতে অবস্থান করছেন। চীন থেকে আসা যুবককে একনজর দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ করমর্দন করছেন, আবার কেউ কথা বলার চেষ্টা করছেন। পুরো গ্রামজুড়েই এখন চীনা জামাইকে নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা।

স্থানীয়রা জানান, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য থাকলেও আন হুং ওয়েই’র আচরণ ও ব্যবহার অত্যন্ত আন্তরিক। যদিও তিনি বাংলা বুঝতে পারেন না, তবুও ইশারা-ইঙ্গিতে সহজেই সবার সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন।

মোরশেদা বেগম বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চীন আর বাংলাদেশের দূরত্ব আন হুং ওয়েই’র কাছে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। পরে সে বাংলাদেশে আসে এবং আমরা বিয়ে করি। ভবিষ্যতে সে আমাকে চীনে নিয়ে যাবে বলেছে।”

চীনা যুবক আন হুং ওয়েই বলেন, “মোরশেদার এলাকায় এসে আমি খুব খুশি। এখানকার মানুষ অনেক ভালো। বাংলাদেশ আমার খুব ভালো লেগেছে। মোরশেদাকে বিয়ে করে আমি অনেক সুখী।”