সীমান্তের শকুন
মোঃ মিলন হক
হে সীমান্তের শকুনেরা,
এসো—
বাঙালির আবেগ, ইমোশন খাও।
বাঙালির আবেগ, ইমোশন যে দিন শেষ হবে,
বাঙালির চোখে রক্তিম আভা জেগে ওঠবে।
তোমাদের রক্ত খাবে;
তোমরা এই পৃথিবীর মানচিত্র থেকে
চিরতরে মুছে যাবে।
হে সীমান্তের শকুনেরা,
এসো —
ফেরাউন, নমরুদের মতো বাঙালিকে পদানত কর।
নীলকরদের মতো গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে মারো —
তোমাদের আধিপত্যের নেশায়
তোমরা এসো।
হে সীমান্তের শকুনেরা,
এসো —
বর্গি ,মারাঠা দস্যুর মতো বাঙালির বাড়ি-ঘরের মাল লুট করে নিয়ে যাও ।
হানারদের মতো বাঙালির বুকে, পিঠে,হানা দাও ।
মাথায় আঘাত দিয়ও না।
মাথায় আঘাত দিলে আবার যে ,
বাঙালি তোমাদের দাস হয়ে যাবো ।
হে —বঙ্গোপসাগরের ঢেউ
সীমান্তের শকুনের দাস হওয়ার থেকে,
তোমার অতল গহ্বরে
বাঙালিকে বিলীন করে নাও।
কালবৈশাখী, টনের্ডো আঘাত দিয়ে,
বাঙালিকে ধ্বংস করে দাও ।
হে —ঈগল ,ফ্যালকন তোমরা ,
বাঙালির রক্ত, মাংস ছিঁড়ে খাও —
মাথা খেয়ও না ।
মাথা খেলে তোমরাও গোলাম হয়ে যাবে।
হে —মহাকাশের আলট্রা ভায়োলেট রে
ছিটকে বাঙালির উপর পর নয়তো,
বাঙালিকে মাতণ্ডের মতো শক্তি দাও
সীমান্তের শকুনের
আধিপত্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার ।

