ঢাকাবুধবার , ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. ইতিহাস
  2. জাতীয়
  3. ধর্ম
  4. প্রযুক্তি
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. মতামত
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষাঙ্গন
  10. সর্বশেষ
  11. সারাদেশ
  12. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

ছোট গল্প- বারান্দা থেকে দেখা জীবন

এন. এইচ. এম. জুনায়েদ সিদ্দিকী
ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ ১:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বারান্দা থেকে দেখা জীবন

এন.এইচ.এম. জোনায়েদ সিদ্দিকী

এক শীতের সুন্দর সকালে সিকান্দার মশাই বারান্দায় বসে আছেন। একটু আগেই কমলা আদা দেওয়া চা দিয়ে গেছে। কাপে ধোঁয়া উঠছে—ধীরে, শান্তভাবে। তিনি কাপটা দু’হাতে ধরে রাখেন। এই উষ্ণতাটুকু এখন তার খুব দরকার। শীতের সকালে এমন চা আর একটা পত্রিকা—এই দু’টুকুই এখন তার দিনের সবচেয়ে বড় আয়োজন।

পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেও তিনি আসলে পড়েন কম। চোখ বারবার চলে যায় সামনে খোলা রাস্তাটার দিকে। তার বাড়ির সামনে কোনো দেয়াল নেই, কোনো বেড়া নেই। তাই বারান্দা থেকেই সব পরিষ্কার দেখা যায়। এই খোলা থাকাটাই তার ভালো লাগে। দেয়াল থাকলে চোখ আটকে যেত, আর চোখ আটকে গেলে জীবন দেখা যেত না।

সকাল হলেই ইস্কুল পড়ুয়া বাচ্চারা হেঁটে যায়। কারো হাতে বই বাঁধা, কারো কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ। কেউ দল বেঁধে গল্প করতে করতে যায়, কেউ আবার একা একা। তবে একা মানেই যে একা, তা নয়। কেউ নিজের মনে গুনগুন করে গান গায়, কেউ লাফাতে লাফাতে ফুটপাতের দাগ গুনে, কেউ বা প্রজাপতির পেছনে ছোটে। স্কুলে পৌঁছানোর চেয়ে জীবনটাকে উপভোগ করাই যেন তখন তাদের কাছে বেশি জরুরি।

কখনো হঠাৎ রাস্তার মোড় থেকে একটা কুকুর ছুটে আসে। তখন বই–খাতা ছিটকে পড়ে, দৌড় শুরু হয়, ভয় আর হাসি একসঙ্গে মিশে যায়। আবার কোনো কোনো দিন দেখা যায়—কোনো বাচ্চা মায়ের হাত ধরে হাঁটছে, আর হাঁটতে হাঁটতেই গালে পড়ছে সকালের শাসন। সেই শাসনের মধ্যেও সিকান্দার মশাই চিনে নেন এক ধরনের মমতা—যেটা কেবল মায়ের হাতেই থাকে।

এই দৃশ্যগুলো দেখতে দেখতে তারও ইচ্ছে করে—এই দলে যদি একটুখানি মিশে যাওয়া যেত! যদি আবার একদিন সকালে বই হাতে বের হওয়া যেত!

কিন্তু তিনি পারেন না। তার যৌবন অনেক আগেই কাজ শেষ করে ফিরে গেছে। এখন হুইল চেয়ারই তার চলার পথ, তার সীমা।

এক সময় এই মানুষটাই স্কুলের সবচেয়ে কঠিন শিক্ষক ছিলেন। তার ক্লাসে ঢুকলে কথা থেমে যেত। বেঞ্চের উপর হাত চাপড়ে শাসন করতেন, আবার সেই হাত দিয়েই কোনো ছাত্রের মাথায় ভরসা রেখে বলতেন—“ভয় পাস না, তুই পারবি।” কত দুষ্টু ছেলেকে তিনি বেতের ব্যথায় মানুষ করেছেন, কত নীরব ছেলেকে কথা বলতে শিখিয়েছেন। আজ সেই হাত দুটো হুইল চেয়ারের হাতলে স্থির হয়ে থাকে।

পাশের বাসার রহিম চাচা প্রায়ই এসে দাঁড়ান। হাতে লাঠি, মুখে পুরোনো দিনের গল্প।

“সময়টা কেমন পাল্টে গেল, স্যার,” রহিম চাচা বলেন।

সিকান্দার মশাই হালকা করে মাথা নেড়ে দেন। সময় পাল্টায়—এ কথা তিনি জানেন। মানুষও পাল্টায়, শুধু কিছু স্মৃতি থেকেই যায়।

রাস্তার মোড়ে মনসুরের চায়ের দোকান। মনসুর একসময় তার ছাত্র ছিল। ক্লাসে বসে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকত বেশি। আজ সে দোকান চালায়, সংসার চালায়। দোকান খুলতে খুলতেই সে সিকান্দার মশাইকে দেখে সালাম দেয়। মাঝেমধ্যে এক কাপ চা পাঠিয়ে দেয়—স্যারের জন্য।

মাঝে মাঝে তার ছাত্ররা আসে।

ফার্স্টবয়রা নয়। তারা এখন বড় বড় অফিসে বসে ব্যস্ত মানুষ। সময় নেই, সুযোগ নেই। তারাও হয়তো মাছ নেয়—কিন্তু বাজার থেকে নয়, টেবিলের নিচ দিয়ে।

আসে সেই শেষ বেঞ্চে বসা ছেলেটা। যাকে সবাই অপদার্থ বলত, আর সিকান্দার মশাই বলতেন—সময় দাও, মানুষ হবে। আজ সে নদীতে মাছ ধরে। আজ তার জালে অনেক ইলিশ ধরা পড়েছে। নদীতে যাওয়ার আগে স্যারকে সালাম দিয়ে গিয়েছিল, তাই ফিরে এসে একটা ইলিশ দিয়ে গেল।

সিকান্দার মশাই মাছটার দিকে তাকান না, ছেলেটার চোখের দিকে তাকান। এই চোখে লুকানো সম্মানটাই তার জীবনের বড় প্রাপ্তি।

এইভাবেই তিনি মানুষের জীবনচক্র দেখেন। সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। কত মানুষ তার সামনে দিয়ে বড় হয়েছে, বদলেছে, হারিয়েছে। চেয়ারে বসে থেকেও যেন তিনি তাদের সঙ্গেই হেঁটে চলেছেন।

তবু কোথাও একটা অপূর্ণতা থেকে যায়।

নিজের ঘরের জীবনটা ঠিকমতো দেখা হয়নি। মানুষ গড়তে গড়তে নিজের সংসারটা পেছনে পড়ে গেছে।

কালই ছোট ছেলে এসে বলে গেল—বাজারের দোতলা বাড়িটা তার নামেই লিখে দিতে হবে।

সিকান্দার মশাই কিছু বলেননি। শুধু চায়ের কাপটার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। ততক্ষণে চা ঠান্ডা হয়ে গেছে, ধোঁয়াটাও নেই।

বারান্দার সামনে দিয়ে তখন আবার কিছু বাচ্চা হেঁটে যায়। তাদের হাসি, দৌড়, কোলাহলে রাস্তা একটু জীবন্ত হয়ে ওঠে।

সিকান্দার মশাই তাকিয়ে থাকেন।

এই তাকিয়ে থাকাই এখন তার চলা।

এই দেখাই এখন তার জীবন।

দ্বিতীয় অংশ

দুপুরের দিকে রোদটা একটু নরম হয়ে আসে। শীতের সকালের কাঁপুনিটা তখন আর নেই, কিন্তু শরীরের ভেতরের ঠান্ডা ঠিকই থেকে যায়। সিকান্দার মশাই বারান্দাতেই বসে থাকেন। হুইলচেয়ারের চাকাগুলো যেন এই জায়গাতেই স্থির হয়ে গেছে—এখান থেকেই তার দিনের সব দেখা, সব বোঝা।

রাস্তা তখন আর সকালের মতো ব্যস্ত নয়। ইস্কুলপড়ুয়া বাচ্চারা চলে গেছে, তাদের হাসি–চেঁচামেচিও মিলিয়ে গেছে। বদলে এসেছে অন্য মানুষ—কেউ কাজে যাচ্ছে, কেউ ফিরছে, কেউ বা শুধু হাঁটছে। এই হাঁটার মধ্যেও সিকান্দার মশাই আলাদা আলাদা গল্প খুঁজে পান।

একজন লোক প্রতিদিন এই সময়টায় ধীরে ধীরে হেঁটে যায়। বয়স তারও কম নয়। পেছনে হাত বাঁধা, চোখ নিচের দিকে। সিকান্দার মশাই জানেন, লোকটার ছেলে বিদেশে থাকে। ফোন আসে সপ্তাহে একদিন। বাকিটা সময় সে এই রাস্তাটাই হাঁটে। কাউকে কিছু বলে না, কিন্তু তার হাঁটার ভেতরেই কথা জমে থাকে।

মনসুর দুপুরের দিকে আবার আসে। দোকান থেকে একটু ফাঁক পেয়ে।

“স্যার, শরীর কেমন?”

“চলে,” সিকান্দার মশাই বলেন।

মনসুর জানে—এই ‘চলে’ কথাটার মানে আসলে অনেক কিছু। তবু সে কিছু জিজ্ঞেস করে না। একসময় সে-ও শিখেছিল—সব প্রশ্নের উত্তর চাইতে নেই।

মনসুর চলে গেলে সিকান্দার মশাই চোখ বন্ধ করেন। হঠাৎ করেই ক্লাসরুমের গন্ধটা নাকে আসে—চকডাস্ট, পুরোনো বেঞ্চ, জানালা দিয়ে আসা বাতাস। কত মুখ মনে পড়ে। কত নাম ভুলে গেছেন, আবার কত মুখ কোনোদিন ভুলতে পারেননি।

একটা মুখ বিশেষ করে মনে পড়ে। সেই ছেলেটা—যে পরীক্ষায় ফেল করেছিল বারবার, কিন্তু একদিন এসে বলেছিল, “স্যার, আমি চেষ্টা ছাড়বো না।”

আজ সে কোথায়? কী করছে?

জীবন তাকে কোথায় নিয়ে গেছে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আর জানার সুযোগ নেই। তবু সিকান্দার মশাই বিশ্বাস করেন, চেষ্টা করা মানুষ কখনো একেবারে হারায় না।

বিকেলের দিকে বড় ছেলেটা আসে। অফিস থেকে ফেরার পথে। কথাবার্তা কম, হিসাব বেশি।

“আব্বা, ওই দোতলা বাড়িটার কাগজপত্র…”

সিকান্দার মশাই মাথা নেড়ে বলেন, “দেখা যাবে।”

ছেলেটা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে, তারপর চলে যায়। যাওয়ার সময় পেছন ফিরে তাকায় না।

এই না তাকানোটাই সিকান্দার মশাইকে বেশি কষ্ট দেয়।

তিনি ভাবেন—হয়তো তিনি নিজেও একসময় এমনই তাকাননি। দায়িত্বের তাড়ায়, সময়ের চাপে, নিজের বাবার দিকে ঠিক করে তাকানো হয়নি।

সন্ধ্যা নামে। আলো বদলায়। রাস্তায় আবার শব্দ বাড়ে। কাজ শেষে মানুষ ঘরে ফেরে। কেউ ক্লান্ত, কেউ বিরক্ত, কেউ নিশ্চুপ। বারান্দার বাতিটা জ্বালানো হয়। আলো–ছায়ার ভেতরে সিকান্দার মশাই আরও ছোট হয়ে বসে থাকেন।

ঠিক তখনই ছোট ছেলেটা আসে। হাতে একটা প্লাস্টিকের ব্যাগ।

“আব্বা, বাজার থেকে আসছি,” বলে সে।

ব্যাগে ফল, কিছু ওষুধ, আর একটা ছোট চকলেট।

“তোমার জন্য আনলাম,” সে বলে।

এই একটা চকলেটই সিকান্দার মশাইয়ের বুকটা হালকা করে দেয়। কোনো কাগজের কথা ওঠে না, কোনো বাড়ির হিসাবও না।

তিনি শুধু বলেন, “থাকিস ভালো।”

ছেলেটা হাসে। সেই হাসিতে কোনো দাবি নেই।

রাতে বারান্দা ফাঁকা হয়ে যায়। রাস্তার শব্দ কমে আসে। দূরে কোথাও কুকুর ডাকে। সিকান্দার মশাই আকাশের দিকে তাকান। তারার সংখ্যা আগের মতো বোঝা যায় না, তবু কিছু আলো ঠিকই টিকে থাকে।

তিনি ভাবেন—জীবনটা আসলে বারান্দার মতোই।

সবাই ভেতরে–বাইরে যায়, আসে।

কেউ থামে, কেউ থামে না।

আর কেউ কেউ শুধু বসে থেকে সবটা দেখে যায়।

হুইল চেয়ারে বসে থেকেও তিনি চলেছেন—

মানুষের ভেতর দিয়ে, স্মৃতির ভেতর দিয়ে, সময়ের ভেতর দিয়ে।

এই চলাই হয়তো তার শেষ পাঠ।

এই দেখাই হয়তো তার শেষ শিক্ষা।

তৃতীয় ও শেষ পর্ব

রাত গভীর হলে শব্দগুলো আলাদা হয়ে যায়। দিনের কোলাহল সরে গেলে ছোট ছোট আওয়াজগুলো স্পষ্ট শোনা যায়—দূরের ট্রেনের হুইসেল, কোথাও বন্ধ হওয়া দোকানের ঝাঁপ, আর মাঝেমধ্যে রাস্তার কুকুরগুলোর ডাকে ভেঙে যাওয়া নীরবতা। সিকান্দার মশাই তখনো বারান্দায় বসে থাকেন। রাত তার জন্য নতুন কিছু নয়; বরং রাতেই তার মনে সবচেয়ে বেশি কথা জমে।

হুইল চেয়ারের চাকায় হাত রাখেন তিনি। কত দিন ধরে এই চাকার সঙ্গে তার জীবন বাঁধা—সেটার হিসাব আর মেলে না। একসময় এই হাতেই তিনি খাতা ধরেছেন, বেত ধরেছেন, আবার কোনো কোনো দিন ছাত্রের চোখের পানি মুছিয়ে দিয়েছেন। এখন এই হাতেই শুধু সময়টা টের পান।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিগুলো আরও কাছে আসে। তিনি ভাবেন তার শিক্ষকতা জীবনটা। কত মানুষকে তিনি পড়িয়েছেন—সবাই যে বড় কিছু হয়েছে, তা নয়। কিন্তু সবাই যে মানুষ হয়েছে, সেই বিশ্বাসটা তার ছিল। আজও আছে।

একসময় তিনি বুঝতে পারেন, মানুষ গড়া মানে নিখুঁত ফল তৈরি করা নয়। মানুষ গড়া মানে কাউকে অন্তত বিশ্বাস করার জায়গা দেওয়া। তিনি সেটুকু পেরেছিলেন বলেই আজ শেষ বেঞ্চের ছেলেটার চোখে তিনি সম্মান দেখেন, চায়ের দোকানি মনসুর এখনো তাকে স্যার বলে ডাকে।

ঘরের ভেতর থেকে স্ত্রীর কাশির শব্দ আসে। সিকান্দার মশাই মাথা ঘুরিয়ে তাকান। এত বছর সংসার করেছেন, অথচ কত কথা বলা হয়নি, কত নীরবতা জমে আছে—সেটার হিসাবও নেই। দায়িত্ব নিতে নিতে ভালোবাসার কথাগুলো কোথাও চাপা পড়ে গেছে।

তিনি হালকা করে ডাকেন,

“শুনছো?”

ভেতর থেকে উত্তর আসে,

“হুঁ।”

এই এক অক্ষরের ভেতরেই এখন তাদের সংসারের সব কথা ধরা আছে। তবু সিকান্দার মশাই শান্ত বোধ করেন। সব সম্পর্কেরই তো আলাদা ভাষা থাকে।

সিকান্দার মশাই পত্রিকা নেন। প্রথম পাতার খবরগুলো চোখে পড়ে না, কিন্তু ভাঁজ করা কাগজটার ওজন তিনি চেনেন। সামনে রাস্তায় আবার বাচ্চারা যাচ্ছে। নতুন মুখ, নতুন হাসি। আগের দিনগুলো থেকে কিছুই আলাদা নয়, আবার সবই আলাদা।

তিনি হঠাৎ বুঝতে পারেন—তার জীবনটা আসলে অসম্পূর্ণ নয়। তাই দেয়াল তুলে নিজেকে আলাদা করেননি। বারান্দায় বসে থেকেও জীবনকে বাইরে যেতে দেননি। বরং দেখেছেন, শুনেছেন, বিশ্বাস করেছেন।

ছেলেদের বাড়ির কথা আবার উঠবে। কাগজপত্রের হিসাব আসবে। তর্কও হতে পারে। কিন্তু আজ তিনি সেগুলো ভাবেন না। আজ তিনি শুধু সামনে তাকান।

একটা বাচ্চা হঠাৎ থেমে তার দিকে তাকায়।

“দাদু,” বলে সে,

“আপনি এখানে সব সময় বসে থাকেন কেন?”

সিকান্দার মশাই একটু হেসে বলেন,

“দেখার জন্য।”

“কী দেখেন?”

“জীবন।”

বাচ্চাটা কিছু না বুঝেই দৌড়ে চলে যায়। কিন্তু সিকান্দার মশাই জানেন—সব প্রশ্নের উত্তর সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায় না। কিছু উত্তর সময়ের সঙ্গে বুঝতে হয়।

তিনি আবার চায়ের কাপে তাকান। ধোঁয়া ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে।

তার মনে হয়—যতক্ষণ এই ধোঁয়াটা ওঠে, ততক্ষণ জীবনও চলছে।

বারান্দা থেকে দেখা এই জীবন—

এটাই ছিল তার শেষ পাঠ,

এটাই ছিল তার সবচেয়ে বড় অর্জন।

তিনি আর কোথাও যেতে পারেন না,

কিন্তু জীবন প্রতিদিন তার সামনে দিয়েই হেঁটে যায়।

আর সিকান্দার মশাই—

চুপচাপ বসে,

সবটা দেখে যান।


✍️লেখক, শিক্ষার্থী

দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা, ডেমরা, ঢাকা।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।