ঢাকাশনিবার , ৩০ আগস্ট ২০২৫
  1. ইতিহাস
  2. জাতীয়
  3. ধর্ম
  4. প্রযুক্তি
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. মতামত
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষাঙ্গন
  10. সর্বশেষ
  11. সারাদেশ
  12. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

আত্মহত্যায় সহায়তার অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মামলা!

প্রযুক্তি ডেস্ক
আগস্ট ৩০, ২০২৫ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রযুক্তি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে আত্মহত্যায় সহায়তার অভিযোগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি এবং এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক দম্পতি। তাদের দাবি, চ্যাটজিপিটি তাদের ১৬ বছর বয়সী ছেলে অ্যাডামের মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী।

মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাডাম আত্মহত্যার পদ্ধতি এবং বিদায়ী চিরকুট লেখার বিষয়ে পরামর্শ পেয়েছিল চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে। মাত্র ছয় মাস আগে চ্যাটবটটি ব্যবহার শুরু করার পর থেকেই সে বাস্তব জীবন, পরিবার ও বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং চ্যাটজিপিটিকেই নিজের একমাত্র সঙ্গী হিসেবে ভাবতে শুরু করে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এক পর্যায়ে অ্যাডাম চ্যাটজিপিটিকে জানিয়েছিল যে, সে আত্মহত্যার সরঞ্জাম ঘরে রাখতে চায় যেন কেউ তা দেখে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু চ্যাটবট তাকে নিরুৎসাহিত না করে বরং বিষয়টি গোপন রাখতে পরামর্শ দেয়। এতে তার আত্মহনন প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ফ্লোরিডায় এক মা অভিযোগ করেছিলেন, ‘ক্যারেক্টার এআই’ নামের আরেকটি চ্যাটবট ব্যবহার করে তার ছেলে আত্মহত্যা করেছে। একই অভিযোগে আরও কয়েকটি পরিবার মামলা করে জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এসব সেবায় তাদের সন্তানরা ক্ষতিকর পরামর্শ পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যাটবটগুলো ব্যবহারকারীর সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করে এবং তাদের আবেগকে প্রভাবিত করে। এর ফলে অনেকেই বাস্তব সম্পর্ক থেকে সরে গিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন।

এদিকে ওপেনএআই এক বিবৃতিতে অ্যাডামের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আত্মহননমূলক কর্মকাণ্ড থেকে ব্যবহারকারীদের বিরত রাখতে তারা বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।