প্রকাশকাল: ৮ জুলাই ২০২৫
ডাউনলোড: ২৬ জুন ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
বিস্তারিত অনলাইনে পড়ুন
pagethenews.com /pagethenews

কোটি টাকার সেতু, চলাচল বালুর বস্তায় — দুর্ভোগে কালকিনির মানুষ।

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার শিকারনন্দর ও চর দৌলতখা ইউনিয়নের মাঝখানে আড়িয়াল খাঁ নদীর একটি শাখার ওপর নির্মিত হয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মিয়ারহাট সেতু। নির্মাণ শেষে সেতুটি এলজিইডি’র মাধ্যমে এলাকাবাসীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও, আজও এর দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি।

ফলে জনগণকে প্রতিদিন পারাপার হতে হচ্ছে বালুর বস্তা বিছানো অস্থায়ী সিঁড়ি ব্যবহার করে—যেটি ঝুঁকিপূর্ণ, কষ্টকর এবং বর্ষায় ভয়ংকর পিচ্ছিল।

বাস্তব চিত্রে উঠে এসেছে দুর্ভোগের কাহিনি

সরেজমিনে দেখা যায়, বৃদ্ধ মানুষজন লাঠি বা ছাতা ভর করে সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন। তাছাড়া নারী ও শিশুদের তা ভিষণ কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির দিনে সিঁড়িগুলো ভয়ানক পিচ্ছিল হয়ে ওঠে, যার ফলে এখানে দূর্ঘটনার সম্ভবনা ও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এখানকার নিচে মাটির ক্ষয় ও ভাঙনের আশঙ্কাও স্পষ্ট।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই সেতুতে রাস্তা না থাকায় দুর্ঘটনা হতেই পারে। রোগী নিয়ে গেলে তো চিন্তায় থাকি।”

তাছাড়াও কালকিনি উপজেলার আরেক সেতুর অবস্থাও একই!

কালকিনি উপজেলার সূর্যমনি বাজার সংলগ্ন লক্ষীপুর ইউনিয়নের সেতু, যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৫ কোটি টাকা, সেটির অবস্থাও একই—সংযোগ রাস্তা নেই, জনগণ অসহায়।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কাছে জানতে চাইলে এলজিইডির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং বরাদ্দ বিলম্বের কারণে সংযোগ সড়কের কাজ আটকে আছে।”

এলাকাবাসির পক্ষ থেকে দাবীর হলো,

অবিলম্বে সংযোগ রাস্তা নির্মাণ;

বালুর বস্তার পরিবর্তে স্থায়ী সিঁড়ি বা ঢালু রাস্তা;

উন্নয়নের নামে অব্যবস্থাপনার বিচার।

তাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে বলেন,  “প্রতিশ্রুতি অনেক শুনেছি, কাজ এখনো হয়নি। আমাদের ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে গেছে।”