রিয়া মনিকে না পাওয়ার হতাশায় হিরো আলমের আত্মহত্যার চেষ্টা!
আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি গ্রামে এক বন্ধুর বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পরেন তিনি।
পরে আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসক জানিয়েছেন হিরো আলম বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিরো আলম বগুড়া থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৩টায় উপজেলার যমুনা নদীর তীরে ভান্ডারবাড়ি গ্রামে তার বন্ধু নাট্যকার জাহিদ হাসান সাগরের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
রাতে হিরো আলম এবং তার বন্ধুর মধ্যে রিয়া মনিকে নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা হয়। তারপর রাতে দুই বন্ধু পৃথক পৃথক বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর আজ বেলা ১১টায় হিরো আলমকে তার বন্ধু ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন হয়ে আছেন। এ সময় হিরো আলমের বালিশের পাশে পড়ে থাকা ঘুমের ওষুধ দেখেন পান। তখন তার বন্ধু জাহিদ হাসান সাগর তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে জাহিদ হাসান সাগর (হিরো আলমের বন্ধু) বলেন, ‘আমার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিরো আলম গত রাতে আমার বাড়িতে বেড়াতে এসে রিয়া মনিকে নিয়ে নিজের অনেক হতাশার কথা বলেন’।
হিরো আলম তাকে জানান, ‘যেখানে যান সেখানে লোকজন তাকে বিরক্ত করেন। নানান প্রশ্ন করেন। একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য আমার বাড়িতে এসেছেন। আমার ধারণা রিয়ামনিকে না পাওয়ার হতাশা থেকেই তিনি ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। আমি তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসেছি।’
ধুনট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘুমের ওষুধ সেবন করে হিরো আলম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্ত তার লোকজন এখান থেকে তাকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে না।’
তবে হিরো আলম শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলেই জানান তিনি।