প্রকাশকাল: ২৭ জুন ২০২৫
ডাউনলোড: ২৬ জুন ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
বিস্তারিত অনলাইনে পড়ুন
pagethenews.com /pagethenews

খিলক্ষেতে অস্থায়ী মণ্ডপ অপসারণ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক

ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় একটি অস্থায়ী দুর্গাপূজা মণ্ডপ অপসারণের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে— কোনো অবস্থাতেই সরকারি জমি দখল করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ অনুমোদিত নয়। শুক্রবার (২৭ জুন) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছর দুর্গাপূজার সময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় পূর্বানুমতি ছাড়াই বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে অস্থায়ী মণ্ডপ স্থাপন করে। পরবর্তীতে রেল কর্তৃপক্ষ শর্তসাপেক্ষে পূজার আয়োজনের অনুমতি দেয়— শর্ত ছিল পূজা শেষে মণ্ডপটি সরিয়ে নিতে হবে। কিন্তু আয়োজকরা সেই শর্ত লঙ্ঘন করে মণ্ডপটি অপসারণে অস্বীকৃতি জানায় এবং সেখানে একটি কালীমূর্তি স্থাপন করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, একাধিকবার সতর্ক করার পরও আয়োজকরা মণ্ডপটি সরাননি, বরং স্থায়ী স্থাপনার দিকে অগ্রসর হন। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি পাবলিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যেখানে খিলক্ষেত রেললাইনের উভয় পাশে থাকা সব অননুমোদিত স্থাপনা— দোকান, রাজনৈতিক কার্যালয় এবং মণ্ডপ— অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কারণ, ‘ঢাকা-টঙ্গী তৃতীয় ও চতুর্থ সেকশন ডুয়েল গেজ লাইন’ প্রকল্পের জন্য জমিগুলো প্রয়োজন।

২৪ ও ২৫ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে রেলওয়ে চূড়ান্ত নোটিশ দেয়, এবং ২৬ জুন শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই সময় প্রতিমা বিসর্জন যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি জমি উদ্ধারে নিয়মিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এ উচ্ছেদ পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার দেশের সব ধর্মের উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, তবে কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না।