সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলো। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক, সহস্রধারা ঝর্ণা এবং গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে হাজারো ভ্রমণপিপাসুর উপস্থিতি।
পরিজন, কেউ বন্ধু-বান্ধব কিংবা নবদম্পতিসহ সীতাকুণ্ডের প্রাকৃতিক রূপ উপভোগ করছেন প্রাণভরে। অনেকে আবার স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করে নিচ্ছেন পাহাড়, ঝর্ণা কিংবা সৈকতের পটভূমিতে।
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতের ম্যানগ্রোভ বন ও বাঁকখালি নদীর মিলনস্থলে অপার সৌন্দর্য উপভোগে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক ভিড় করছেন। পাশাপাশি বাশবাড়িয়া, আলেকদিয়া, কুমিরা ও ভাটিয়ারী বিনোদন কেন্দ্রেও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সৈকতের বালুচরে শিশুদের দৌড়ঝাঁপ, সাগরের ঢেউয়ে ভেজা তরুণদের দল, পাশেই ফুচকা, কাঁকড়া ভাজা কিংবা পিঁয়াজুর ঘ্রাণ—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর এক পরিবেশ।
তবে ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে কিছু ভোগান্তির কথাও উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা অভিযোগ করেছেন, ইকোপার্ক ও সহস্রধারা এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা গলাকাটা ভাড়া আদায় করছেন। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে তারা ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
প্রকৃতি দর্শনের পাশাপাশি সীতাকুণ্ডের পাহাড়ি এলাকায় উৎপাদিত আম, পেঁপে, কলা ইত্যাদি স্থানীয় ফলও কিনে নিচ্ছেন পর্যটকরা। এসব ফল কম দামে কিনতে পেরে অনেকেই খুশি।
সীতাকুণ্ডের স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি ঈদেই পর্যটকের ঢল নামে। কিন্তু সরকারিভাবে পর্যটন ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ না থাকায় অনেক সময় অসুবিধায় পড়তে হয় ভ্রমণকারীদের। পর্যাপ্ত টয়লেট, বিশ্রামাগার, নির্ধারিত পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবিও তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ রাইহান উদ্দিন এবং নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল কাইয়ুম মিয়াজী কর্তৃক গাজীপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। ইমেইলঃ pagethenews@gmail.com
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ “পেজ দ্যা নিউজ” কর্তৃপক্ষ দ্বারা সংরক্ষিত। © ২০২৫