প্রকাশকাল: ২৬ মে ২০২৬
ডাউনলোড: ১২ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
বিস্তারিত অনলাইনে পড়ুন
pagethenews.com /pagethenews

ছোট্ট রামিসার প্রতি বর্বরতায়, রিতিমত গা শিউরে ওঠে

অংকন মজুমদার

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে গভীর শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মাত্র আট বছরের এক শিশুকে ঘিরে এমন ভয়াবহ ঘটনার অভিযোগ সমাজকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে—শিশুরা কতটা নিরাপদ?

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরেই শিশুটিকে লক্ষ্য করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধেও সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিন স্কুলে যাওয়ার সময় রামিসাকে পাশের বাসায় ডেকে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।

পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার হলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং অত্যন্ত নির্মম। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে আদালতে একজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহল বলছেন, শুধু বিচার নিশ্চিত করলেই হবে না; শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে সামাজিক সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি।

রামিসার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই এক গভীর বেদনার নাম। নিষ্পাপ এই শিশুর জন্য দেশজুড়ে মানুষের প্রার্থনা—আর এমন কোনো রামিসার গল্প যেন শুনতে না হয়।