কুড়িগ্রামে নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল।
ঝিনাইদহে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল।
শনিবার ২৩ মে দুপুর ৩ টায় কুড়িগ্রাম জেলার এনসিপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কুড়িগ্রাম জেলার বিজয় স্তম্ভ থেকে বের করা হয়। এবং জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা সমবেত হয়ে বক্তব্য দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, সদস্য সচিব মাসুম রানা, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব সাদিকুর রহমান প্রমুখ।
বক্তব্যে বক্তারা বলেন, স্বাধীন দেশে বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে এক তরফা ভাবে দেশ পরিচালনা করতে চাচ্ছে একটা দল। দেশে এমন উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত সন্ত্রাসী হামলা ২৪ – এর আন্দোলনের পর কাম্য নয়। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশ ছিলো স্বৈরাচারীদের হাতে বন্দি। কিন্তু ২৪ – এর আন্দোলনের পর দেশে থেকে স্বৈরাচার চলে গেলেও নতুন ভাবে স্বৈরাচার হওয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে একটি বড় দল। ২৪ এর আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিলো দেশের মানুষের স্বাধীনতা ফিরে দেওয়া। কিন্তু বর্তমান তা বিদ্যমান নেই।
বক্তব্যে সদস্য সচিব মাসুম রানা বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। দেশের মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সঠিক বিচার পেতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে জনগণ। দেশে সঠিক আইন প্রয়োগ হচ্ছে না। এমন যদি হয় তাহলে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করাতে বাধ্য করব।
সমাপনী বক্তব্যে জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া বলেন, ৫২, ৭১, ২৪ এর আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিলো দেশ স্বৈরাচার মুক্ত করে দেশের মানুষের স্বাধীনতা দেওয়া। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যারা যোদ্ধা। যাদের অবদানের ফলে আজ সবাই নতুন এবং স্বৈরাচার মুক্ত দেশ পেয়েছে। তাদের উপরই হামলা করা হচ্ছে।
দেশে হামলা মামলা করার জন্য আন্দোলন করা হয়নি। দেশ থেকে এক স্বৈরশাসক চলে গেলেও নতুন স্বৈরশাসকের আবির্ভাব দেখা যাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাচ্ছি। যদি নতুন করে স্বৈরাচারী হওয়া চেষ্টা করেন তাহলে আপনাদের কেও একইভাবে পতন করাবে এদেশের জনগণ।