প্রকাশকাল: ৩১ মে ২০২৬
ডাউনলোড: ৩১ মে ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
বিস্তারিত অনলাইনে পড়ুন
pagethenews.com /pagethenews

জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতিতে পোস্টার: দুঃখ প্রকাশ করে অপসারণ করল জামায়াত

গাজীপুর প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরার আজমপুর এলাকায় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত একটি গ্রাফিতির ওপর ভুলক্রমে নির্বাচনী পোস্টার লাগানোর ঘটনায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট পোস্টারগুলো দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

রবিবার (৩১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উত্তরা পূর্ব থানা আমীর ও ঢাকা মহানগরী উত্তর মজলিশে শূরা সদস্য মাহফুজুর রহমান এবং উত্তরা পূর্ব থানা সেক্রেটারি আতিক হাসান রুবেল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের প্রচারণামূলক কিছু পোস্টার ভুলবশত উত্তরার আজমপুরে অবস্থিত জুলাই আন্দোলনের একটি স্মারক গ্রাফিতির ওপর লাগানো হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসার পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। পরে দলীয় নেতৃবৃন্দ বিষয়টি অবগত হয়ে দ্রুত পোস্টার অপসারণের ব্যবস্থা নেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং পোস্টার লাগানোর দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মীর অসাবধানতার কারণে এমনটি ঘটেছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনোভাব বা অবমাননার বিষয় জড়িত নয়।

তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। জাতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এ আন্দোলনের স্মারক, গ্রাফিতি ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। কোনোভাবেই এসব স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনার অবমাননা কাম্য নয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় যারা কষ্ট পেয়েছেন, মর্মাহত হয়েছেন বা বিব্রত বোধ করেছেন, তাদের প্রতি দল আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতির ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে এসব স্থাপনা সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।