পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনাম
• হবিগঞ্জে বকেয়া মজুরি ও পূজার বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি, সংহতি ছাত্র ইউনিয়নের • তানজিমুল উম্মাহ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন ও ইবনেসিনার সাথে কর্পোরেট চুক্তি সাক্ষর • লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার্জে দিয়ে গেম খেলার সময় মোবাইল বিস্ফোরণ, দুই যুবক আহত • অপহৃত ২ বছরের শিশু টাঙ্গাইলে উদ্ধার, গৃহকর্মী গ্রেপ্তার। • শেরপুরের শ্রীবরদীতে এলএফও সদস্যদের মাঝে ৫২০টি গাছের চারা বিতরণ • রাজশাহী রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত • নবীগঞ্জে সেভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটির ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত • গণভোটের রায় কার্যকর না হলে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: রেজাউল করিম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৪২ ঘণ্টা পর নিকলী হাওর থেকে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

আল-আমিন হাসান
আল-আমিন হাসান , উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পিএম

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪২ ঘণ্টা পর গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পর্যটক মো. শরিফুল ইসলাম টুনু (২৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার (১২ জুলাই) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে নিকলী সদর ইউনিয়নের কাঠালকান্দি হাওরের কচুরিপানার মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শরিফুল ইসলাম টুনু গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, গত শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে গাজীপুর থেকে নিকলী হয়ে মিঠামইন হাওর ভ্রমণে আসেন শরিফুল। নিকলী থেকে ট্রলারে করে মিঠামইনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর হাওরের মাঝপথে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এ সময় তিন বন্ধু গোসল করতে পানিতে নামেন। প্রবল স্রোতের মধ্যে দুইজন ট্রলারে উঠতে সক্ষম হলেও শরিফুল স্রোতের টানে নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। টানা প্রায় ৪২ ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে নিকলী সদর ইউনিয়নের কাঠালকান্দি হাওরে কচুরিপানার মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনরা জানান, শরিফুলকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। তবে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিকলী স্থলকাম নদী ফায়ার স্টেশনের সাব-অফিসার বলেন, “নিখোঁজ হওয়া পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হাওরে ভ্রমণের সময় পর্যটকদের সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি নৌকা ও ট্রলার মালিকদের পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”

স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমে হাওরে প্রবল স্রোতের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৌযানে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা