পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনাম
• আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সায়েম • আওয়ামী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট এর পথশিশুদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ • বিমানবন্দরের বিশৃঙ্খলার অভিযোগে সাবেক এমপি ও জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি! • দেহেরগতি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হয়ে জনগণের সেবা করতে চান শাহীন মাঝি • বিশ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘সেরা পাঠকের খোঁজে’ • গাজীপুরে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন • সর্বহারা’ পরিচয়ে রাবির ৫ শিক্ষককে হুমকি ও চাঁদা দাবি, থানায় জিডি
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

দেবীগঞ্জ উপজেলা ভাঙার পাড় এলাকায় কবর স্থান ও বসত বাড়ি ভাঙ্গন

মোঃ ফারুক হোসেন
মোঃ ফারুক হোসেন , উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালুপীর ভাঙ্গার পাড় বিলে অতিরিক্ত মাছ চাষের কারণে বিলের পাড় (বাঁধ) ভেঙে আশপাশের বসতবাড়ি ও কবরস্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিলে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ পরিচালিত হয়ে আসছে। মাছ চাষের সুবিধার্থে অতিরিক্ত পানি ধারণ এবং বিভিন্ন স্থানে খনন কার্যক্রম পরিচালনার ফলে বিলের পাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিপাত ও পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিলের কয়েকটি অংশ ভেঙে যায়।

‎এতে বিলসংলগ্ন একাধিক বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি এলাকার কেন্দ্রীয় কবরস্থানের একটি অংশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বর্ষা মৌসুমে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

‎এলাকাবাসী জানান, বিলের পাড় সংস্কার ও ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বসতবাড়ি, কৃষিজমি, কবরস্থান এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে পড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎ বিলের দায়িত্বে থাকা নুর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিলের দক্ষিণ পাশ ভাঙনের বিষয়টি আমরা জানি। তবে আমি একা নই, আমার সঙ্গে আরও প্রায় ৫০ জন মালিক রয়েছেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে পরে জানানো হবে।

শালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ বিল নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমে বিলের দক্ষিণ প্রান্ত ভেঙে অনেক জমি বিলের গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আসন্ন বর্ষায় কেন্দ্রীয় কবরস্থান, বসতবাড়ি বিলের দক্ষিণ পাড়ের বাদ সহ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।