সরাসরি নীতিমালা উপেক্ষা করে তামীরুল মিল্লাতের দুই ক্যাম্পাসে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ!
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
সম্প্রতি প্রকাশিত এ নীতিমালায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ফি আদায়ের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নীতিমালার ৫(ঙ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তিরত শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোভাবেই ‘পুনর্ভর্তি ফি’ নেওয়া যাবে না। তবে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি গ্রহণ করা যাবে।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে সম্প্রতি এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে, নতুন এই নীতিমালার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার দুই ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ফি আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ভর্তিরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনর্ভর্তি বা সেশন চার্জের নামে অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী কোন খাতে কত টাকা আদায় করা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আদায়কৃত অর্থ কীভাবে হিসাবভুক্ত ও ব্যয় করা হবে—সে বিষয়েও আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় তামীরুল মিল্লাতের দুই ক্যাম্পাসে পরিচালিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা বিভিন্ন ফি নতুন নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এসব কার্যক্রমের অনুমোদন, ফি আদায়ের খাত ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
