পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• টঙ্গীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ • সাভারে বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার ৩। • কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৭ বোতল ইস্কাফসহ ২ মাদক কারবারি আটক! • আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল ও মালিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ! • টঙ্গীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল ইসলাম হত্যা এজাহার নিয়ে ক্ষোভ, ‘মূল হোতাদের’ বাদ দেওয়ার অভিযোগ • শ্রীবরদী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত • কিশোরগঞ্জে প্রথমবারের মতো চাকরি ও যুব উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত • রাজশাহী মেডিক্যালে দালাল ধরতে এসআরবি ৫ এর অভিযান
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই কোটা’: বাদ মুক্তিযোদ্ধা কোটা!

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৫, ০৩:৩৮ পিএম
একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই কোটা’: বাদ মুক্তিযোদ্ধা কোটা!

চলতি বছরের ২০২৫‑২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘জুলাই কোটা’ যুক্ত করার সুপারিশ করেছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। আসন্ন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত নীতিমালায় এ সুপারিশ করা হয়। উক্ত নীতিমালায় মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা শিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘জুলাই কোটা রাখার বিষয়ে তারা ইতিবাচক। দ্রুত সময়ের মধ্যে আলোচনা করে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।’

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাইয়ে যারা সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নিয়ে আহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় থেকেও কেউ কেউ এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও মানসিক ট্রমার তারা হয়তো ভালো ফল করতে পারেনি। এই বিষয়গুলো বিবেচনা করে কয়েক বছরের জন্য একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে জুলাই কোটা রাখা হতে পারে। পরবর্তীতে এই কোটা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হবে।

২০২৪ সালে প্রণীত সবশেষ নীতিমালা অনুযায়ী—একাদশ শ্রেণিতে বর্তমানে মেধা কোটায় ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো হয়। অর্থাৎ, সবার জন্য ৯৩ শতাংশ আসন উন্মুক্ত। বাকি ৭ শতাংশ বিভিন্ন কোটায় ভর্তি করানো হয়। যার মধ্যে ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য। বাকি ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন ২৮টি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রাখা হয়।