পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• সমবায় সমিতির ​টাকা আনতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ব্যবসায়ী সুজন মিয়া: ৪ দিনেও মেলেনি সন্ধান • রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ • টঙ্গীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ • সাভারে বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার ৩। • কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৭ বোতল ইস্কাফসহ ২ মাদক কারবারি আটক! • আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল ও মালিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ! • টঙ্গীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল ইসলাম হত্যা এজাহার নিয়ে ক্ষোভ, ‘মূল হোতাদের’ বাদ দেওয়ার অভিযোগ • শ্রীবরদী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

আজ ৪আগস্ট লক্ষ্মীপুর স্বৈরাচার পতন দিবস

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ৪ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৪৮ পিএম

লক্ষ্মীপুরের ইতিহাসে ৪ আগস্টের স্থান অনন্য এবং গৌরবময়। ২০২৪ সালের এই দিনে জেলার ছাত্র ও সাধারণ মানুষ স্বৈরশাসন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং প্রশাসনিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাজপথে নামেন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে উদ্ভূত হওয়া প্রতিরোধ-আন্দোলন রক্তাক্ত হলেও তা স্থানীয়ভাবে “স্বৈরাচার পতন দিবস” হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বমুক্ত করার লক্ষ্যে ছাত্র-জনতাভিত্তিক আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তরুণরা। এদিন চার সাহসী তরুণ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন টিপুর হাতে নিহত হন, যাদের শহীদ হিসেবে স্মরণ করা হয়। তারা হলেন—সাদ আল আফনান,কাউছার হোসেন বিজয়,ওসমান পাটোয়ারী,সাব্বির হোসেন রব।

আন্দোলনের সময় ‘আল্লাহর প্রতি ভরসা’ ও ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার’ প্রত্যয়ে রাজপথে নেমে আসেন লক্ষ্মীপুরের তরুণ-যুবকরা। মুখে “আল্লাহু আকবার”, অন্তরে শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা—এই দৃশ্যকে স্থানীয়রা তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অন্যতম অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করেন।

অংশগ্রহণকারীদের মতে, ৪ আগস্টে লক্ষ্মীপুরে শুরু হওয়া গণপ্রতিরোধই পরদিন সারাদেশে বিস্তৃত লাখো মানুষের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। আহত ও প্রচুর সহিংসতার মধ্যদিয়ে এদিনটি লক্ষ্মীপুরের মানুষের কাছে প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়—পরিবর্তন, সাহস ও স্বাধীনতার।

২০২৫ সালের ৪ আগস্টে দিনটিকে স্মরণ করে লক্ষ্মীপুরে শহীদদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও শোকর‌্যালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানগুলোতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন প্রজন্ম ঘোষণা করছে—ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে তাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।