ভৈরবে জিপিএস ট্র্যাকারের সাহায্যে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার!
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জিপিএস ট্র্যাকারের সাহয্যে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো কাইয়ুম মিয়া, সোহাগ মিয়া ও মেকানিক জাহিদুল। এঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক সাকিব মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ জুলাই সোমবার রাত ৮টার দিকে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই এহসানুল কবিরের নেতৃত্বে সঙ্গিয় ফোসসহ অভিযান চালায় আটককৃত কাইয়ুম মিয়ার বাড়িতে।
এ সময় বসত বাড়ির একটি কক্ষে মেকানিক জাহিদুল সম্পুর্ন খোলা অবস্থায় মোটরসাইকেলটি সেটিং করছিল। ঘরটি তল্লাশি করে দা, চুরি ও চাপাতিসহ বেশকিছু দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করে পুলিশ। চোরাইকৃত মটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেকানিককেও আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছিলো। জিপিএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে লোকেশন নিশ্চিত হয়ে খোলা অবস্থায় মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়। পরে মেকানিক জাহিদুলের মাধ্যমে মোটরসাইকেলটি ফিটিং করে থানায় আনা হয়।
এসময় জাহিদুল ইসলাম জানান, যে গাড়িটি চুরি করেছে সে তার গ্যারেজ মালিক মাহবুবকে ফোন করলে সে এসে গাড়িটি সেটিং করছিল। মূলত গাড়িটি সেটিং করাই ছিল তার কাজ। সে জানতো না এটি চুরি হওয়া গাড়ি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ভৈরব থানার পুলিশের সেকেন্ড অফিসার এসআই এহসানুল কবির জানান, টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছিলো। আমরা অভিযোগ পেয়ে জিপিএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে মোটরসাইকেলের লোকেশন জানতে পারি । পরে অন্যান্য পুলিশ অফিসারের সহযোগিতায় খোলা অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করি।
এঘটনায় মেকানিক সহ ৩জনকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


