পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• তা’মীরুল মিল্লাতে টঙ্গীতে আলিমে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ, নির্বাচিত হয়েও ভর্তি হতে পারেননি অনেকে! • সমবায় সমিতির ​টাকা আনতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ব্যবসায়ী সুজন মিয়া: ৪ দিনেও মেলেনি সন্ধান • রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ • টঙ্গীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ • সাভারে বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার ৩। • কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৭ বোতল ইস্কাফসহ ২ মাদক কারবারি আটক! • আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল ও মালিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ! • টঙ্গীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল ইসলাম হত্যা এজাহার নিয়ে ক্ষোভ, ‘মূল হোতাদের’ বাদ দেওয়ার অভিযোগ
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

ঝালকাঠিতে এসএসসি পরীক্ষায় চারটি স্কুলে পাস করেনি কেউ!

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৫, ০৫:০৮ পিএম
ঝালকাঠিতে এসএসসি পরীক্ষায় চারটি স্কুলে পাস করেনি কেউ!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করায় জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা ও বিদ্যালয় পরিচালনায় গুণগত দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, কুলকাঠি ইউনিয়নের দেলদুয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয় ১৩ জন, রানাপাশা ইউনিয়নের ভেরনবাড়িয়া সিএসইউ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৭ জন, মাটিভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৭ জন এবং দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১১ জন। কিন্তু চারটি বিদ্যালয় থেকেই একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

এমন ফলাফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষক সংকট, দুর্বল পাঠদান, শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি এবং শিক্ষক-প্রশাসনের অবহেলা—এই চিত্রই এমন ভয়াবহ ফলাফলের জন্য দায়ী।

এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, “নলছিটির চারটি প্রতিষ্ঠানে কেউ উত্তীর্ণ হয়নি—এটা উদ্বেগজনক। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। আমরা শিগগিরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব, যেন ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন না আনলে আগামীতে আরও বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। সময়মতো শিক্ষক নিয়োগ, ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও বিদ্যালয় পরিদর্শনের মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।