পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

হবিগঞ্জে কৃষকদের ক্ষতিপূরণ ও খাদ্য সহায়তার দাবিতে সমাবেশ ও কৃষিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

শাহরিয়ার খান নাফিজ (বিশেষ প্রতিনিধি) প্রকাশিত: ২১ মে ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

আগাম বন্যা ও শিলাবৃষ্টিতে হাওর অঞ্চলের বোরো ধান ও সবজির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও ক্ষতি নিরূপণ করে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ প্রদান, কৃষক পরিবারের সারা বছরের খাবার নিশ্চিত করা এবং আগামী জাতীয় উন্নয়ন বাজেটের ৪০ ভাগ কৃষি খাতে বরাদ্দের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে অর্থমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে দুটি পৃথক স্মারকলিপি এবং বন্যা ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি অঞ্চলের কৃষকদের একটি আংশিক তালিকা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে স্মারকলিপিগুলো গ্রহণ করেন সহকারী কমিশনার নাফিস সাদিক হোসাইন অনীক।

সমাজতান্ত্রিক কৃষক ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সংগঠক জাফর আলীর সভাপতিত্বে এবং শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড নুরুজ্জামান তরফদার, জেলার সদস্য ডা. সুনীল রায়, সাবেক ইউপি মেম্বার ও কৃষক নেতা আশ্বব আলী, ওয়াদুদ মিয়া এবং সঞ্জিব আলী। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা শংকর শূক্লবৈদ্য ও সিদ্দিক মিয়া।

সমাবেশের বক্তাগণ স্মারকলিপির দাবি তুলে ধরে বলেন, আগাম বন্যা ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ও সবজির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি নিরূপণ করে তালিকা প্রণয়ন সাপেক্ষে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। হাটে হাটে ক্রয়কেন্দ্র চালু করে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি ভর্তুকি মূল্যে ১৭০০ টাকা মণ ধরে ধান ক্রয় করতে হবে। কৃষক পরিবারের সারা বছরের খাদ্য সহায়তা প্রদান, বকেয়া কৃষি ঋণ মওকুফ এবং নতুন ফসল আবাদের জন্য নতুন কৃষি ঋণ প্রদান করতে হবে। কৃষকদের ফসল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য প্রত্যেক ইউনিয়নে সরকারি ঠাণ্ডা গুদাম স্থাপন করতে হবে।

এ দেশের কৃষক ও কৃষি বাঁচানোর জন্য আগামী জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন অংশের ৪০ ভাগ কৃষি খাতে বরাদ্দ করতে হবে।

বক্তাগণ আরও বলেন, গত অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় হামের টিকা ক্রয় করে প্রয়োগ না করায় এখন শত শত শিশু মৃত্যুবরণ করছে। এই শিশু মৃত্যুর দায় গত সরকারের উপদেষ্টাদের নিতে হবে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারও প্রয়োজনীয় প্রতিকার ব্যবস্থা যথাযথভাবে নিচ্ছে না। ফলে হামে শিশু মৃত্যু ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে।