ব্যবহারিক নম্বর জমা না হওয়ায় চুয়াডাঙ্গার এক বিদ্যালয়ের ৬৩ জন শিক্ষার্থী ফেল!
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল বিভাগের ৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক নাম্বার না যুক্ত হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফলে অকৃতকার্য (ফেল) হয়েছেন।
ফলাফলে দেখা যায়, “টেড ইনস্ট্রাকশন” নামক ব্যবহারিক বিষয়ের নম্বর বোর্ডে জমা পড়েনি, যার ফলে ফলাফলে তারা সবাই ফেল দেখানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দেয়।
ফল প্রকাশের দিনই, ৭ জুলাই ২০২৫, শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পারে এবং এরপর ৯ ও ১০ জুলাই থেকে প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের মাধ্যমে তারা বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানিয়েছেন, ব্যবহারিক নম্বর বোর্ডে পাঠানো হলেও সেটি বোর্ডের প্রাপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
ভোকেশনাল বিভাগের শিক্ষক তারিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা সময়মতো নম্বর দিয়েছিলাম, সম্ভবত বোর্ডের প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে নম্বর জমা হয়নি।”
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, ব্যবহারিক নম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাঠানো হয়েছিল। তবে বোর্ডের তথ্যে তা সংযুক্ত হয়নি।
বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করার পর বোর্ড থেকেও একে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে স্বীকার করা হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যায় টেড ইনস্ট্রাকশন বিষয়ে সকলের নম্বর শূন্য, যার ফলে সবাই ফেল করেছেন।
বিদ্যালয় ইতোমধ্যেই বিষয়টি বোর্ডে লিখিতভাবে জানিয়েছে এবং ফলাফল সংশোধনের আবেদন করেছে। প্রধান শিক্ষক আশ্বাস দিয়েছেন, সংশোধন হলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পুনরায় প্রকাশ পাবে। সেইসাথে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে আশ্বস্ত করার চেষ্টা চলছে।

চলমান পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে “পেজ দ্যা নিউজ”। পরবর্তী আপডেট পেলে জানানো হবে।
পিটিএন/ শিক্ষাঙ্গন

