পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

শহীদ নাসির স্মৃতিস্তম্ভে নেই শহীদ শব্দ ও তার পরিচয়

সাব্বির হোসাইন প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

তা’মীরুল মিল্লাত সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে অবশেষে টঙ্গীর এশিয়া পাম্প সংলগ্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে নাসির ইসলামের স্মৃতিস্তম্ভ। তবে নতুন করে বসানো এই স্মৃতিফলকে সম্মানসূচক ‘শহীদ’ শব্দ যুক্ত না করা, পরিচয় গোপন রাখা এবং মর্মান্তিক মৃত্যুর বিবরণ বাদ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই তা’মীরুল মিল্লাত সাংবাদিক ফোরামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে “২ বছরেও তৈরি হয়নি শহীদ নাসিরের স্মৃতিস্তম্ভ” শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে পদক্ষেপ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিবেদন প্রকাশের ৮ দিনের মাথায় আজ দুর্ঘটনাস্থল এশিয়ান পাম্পের পাশে স্মৃতিস্তম্ভটি বসানো হয়।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভের নামফলকটি অত্যন্ত অসম্পূর্ণ। অন্যান্য আন্দোলনকারীদের ক্ষেত্রে সম্মানসূচক ‘শহীদ’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও নাসিরের নামের পূর্বে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি যে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন কিংবা কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন—তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক তথ্য স্থান পায়নি এই নামফলকে। ঘটনাটিকে শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে একধরনের উদাসীনতা ও অবমূল্যায়ন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ২০ জুলাই বিকেলে টঙ্গীর এশিয়া পাম্পের সামনে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন আলিম ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী নাসির ইসলাম। দ্বীনের একজন একনিষ্ঠ প্রচারক হওয়ার স্বপ্ন ছিল তাঁর।

শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত নামফলকটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি—অনতিবিলম্বে নামের পূর্বে ‘শহীদ’ শব্দ সংযোজন, নাসিরের পরিচয় ও মৃত্যুর পেছনের সত্য ঘটনা লিপিবদ্ধ করে মানসম্মতভাবে স্মৃতিস্তম্ভটি পুনর্স্থাপন করতে হবে।