পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে VDF এর নতুন জেলা কমিটির গঠন শিশু তাসিন হত্যার রহস্য উদঘাটন, আদালতে ঘটনার সত্যতা স্বীকারক্তিমুলক জবানবন্দী। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৭তম নজরুল জয়ন্তী পালিত: দুই গুণী ব্যক্তিকে পদক প্রদান। রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান শিমুল শিকদার কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নালিয়ার দোলায় চেয়ে স্থানীয়দের মানববন্ধন। রোটার‌্যাক্ট ও আবাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ দুই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত তরুণ নির্মাতা রনি তানভীরের ‘হ্যালো মা’। রাজশাহীতে খাদ্য উৎপাদনকারী দুই প্রতিষ্ঠানকে বিএসটিআই এর জরিমানা
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

শিশু তাসিন হত্যার রহস্য উদঘাটন, আদালতে ঘটনার সত্যতা স্বীকারক্তিমুলক জবানবন্দী।

মোঃ শাহীনুল হক
মোঃ শাহীনুল হক , স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

ঢাকার আশুলিয়ায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিন ( ৫) হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. সাইফুল ইসলাম (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল শিশু তাসনিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং পরে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ভাদাইল পশ্চিমপাড়ায় মো. হারুন অর রশিদের তৃতীয় তলা ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিনর এর মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শহীদ মিয়া (৩৮) অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি ২০ আগস্ট আশুলিয়া থানার মামলা নং-১১৫ হিসেবে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিরস্ত্র) মো. রাসেল আহমেদের ওপর।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিতে সাইফুলের দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার বারান্দার নিচে স্কচটেপে মোড়ানো একটি রোল পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, এসব আলামত উদ্ধারের পর সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে একদিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও প্রথমে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল শিশু আব্দুর রহমান তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ আরও জানায়, আদালতে হাজির করা হলে সাইফুল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় সাইফুল ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।