পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম
বর্ষসেরাদের নাম ঘোষণা করলো তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ফুটওভারের দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ, দাবি মেনে নেয়ায় প্রত্যাহার! নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Research Excellence Award 2026 প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন। অভিনব কায়দায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির ক্রেতা সেজে গ্রেপ্তার: রাজশাহী জেলা পুলিশ ঢাকা আলিয়ায় বিস্ফোরণের অভিযোগ, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক টঙ্গীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় তামীরুল মিল্লাতের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত! মসূয়ায় কামাল সরকারের উদ্যোগে নুরানী ক্যাডেট মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ৯ নভেম্বরের মধ্যে
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

বোয়াইলমারী কামিল মাদরাসার ছাত্রাবাসে চরম অব্যবস্থাপনা, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা: পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বোয়াইলমারী কামিল মাদরাসা একসময় শিক্ষার মান ও শৃঙ্খলার জন্য সুপরিচিত হলেও বর্তমানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে মাদরাসার ছাত্রাবাসের করুণ অবস্থা শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে ফেলেছে।

ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেখানে কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। দীর্ঘদিন ধরে টয়লেট ও গোসলখানার সংকটে পড়তে হচ্ছে তাদের। ছাত্রাবাসে থাকা একটি মাত্র টয়লেট বহুদিন ধরে ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। ছাত্রাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ইউনুস স্যারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তব কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে একই অবস্থা চলছে বলে জানান তারা।

খাবারের ব্যবস্থাপনাও নেই বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। ছাত্রাবাসে রান্নার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাশের রেস্টুরেন্ট থেকে নিজ খরচে খাবার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের বিলও শিক্ষার্থীদেরকেই বহন করতে হচ্ছে। অথচ এসব সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এককালীন ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

একজন শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের বাড়ি দূরে হওয়ায় বাধ্য হয়ে ছাত্রাবাসে থাকতে হয়। কিন্তু এখানে থাকার মতো ন্যূনতম পরিবেশ নেই। শুধু টাকা নেওয়া হয়, কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই।”

জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবু হানিফ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালে নিজ উদ্যোগে কিছু সংস্কার কাজ করেছিলেন। তবে তার দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর থেকে আর কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।