পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
শিরোনাম
বুকে অস্ত্রোপচারের দাগ, কাঁধে কফির ফ্লাস্ক; জীবনযুদ্ধে হার মানেননি ‘কফি ম্যান’ সোহেল শেষ ষোলতে ব্রাজিল নরওয়ে মুখোমুখি আজ: কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কার? শ্রীবরদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান শ্রীবরদীর প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ রাজারহাটে দ্রুত ঠিকাদারের শাস্তি ও সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও গণবিক্ষোভ সমাবেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপি নেতা বুলুর বিবৃতি, অস্ত্রের ঘটনায় সম্পৃক্ততা অস্বীকার মাদারগঞ্জে নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপি নেতা বুলুর বিবৃতি, অস্ত্রের ঘটনায় সম্পৃক্ততা অস্বীকার

মির্জা নাদিম
মির্জা নাদিম , স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৫০ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর বিসিক এলাকায় আলোচিত অস্ত্রের মহড়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি হওয়ার পর গাজীপুর মহানগরীর ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বুলুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ প্রেক্ষাপটে কামাল হোসেন বুলু আজ (৫ জুলাই) রবিবার এক লিখিত বিবৃতিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার এবং মামলায় জড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং বিএনপি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তিনি সাদরে গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়ে তার কোনো ক্ষোভ বা অভিযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন।

তবে আলোচিত ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বুলু দাবি করেন, ঘটনার সময় তার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। তিনি বলেন, “কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আমার হাতে অস্ত্র ছিল, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।

তিনি আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কারখানার ভেতরে তিনি প্রবেশ করেননি। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকায় কী বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জানার উদ্দেশ্যে কয়েকজন রাজনৈতিক সহযোদ্ধাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ফাইজা বাটন জিপার লিমিটেডে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে জানতে পেরে তিনি সেখানে যান।

বুলুর দাবি, কারখানার ভেতরে যারা প্রবেশ করেছিলেন, তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। এ অবস্থায় তাকে কোন ভিত্তিতে মামলার আসামি করা হয়েছে, সে প্রশ্নও তিনি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি এখনও ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করছেন। তার দাবি, এসব অর্থ ভবিষ্যতে সহিংস কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে।

বিবৃতির শেষাংশে কামাল হোসেন বুলু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও দলের আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি অনুগত থেকে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যেতে চান। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, টঙ্গীতে আলোচিত অস্ত্রের মহড়ার ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন মণ্ডলসহ ১৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় নাম আসার পর বিএনপি কামাল হোসেন বুলুকে দল থেকে বহিষ্কার করে। এর পর মামলার ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি করেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি গ্রুপিং রাজনীতির স্বীকার বুলু।