পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে নতুন প্ল্যাটফর্ম, আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘ইসলামী ছাত্রী আন্দোলন বাংলাদেশ’

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম

নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান, নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে নতুন সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘ইসলামী ছাত্রী আন্দোলন বাংলাদেশ’। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এ স্বতন্ত্র সংগঠনটি নিজস্ব নীতিমালা ও আদর্শের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নারী শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা, তাঁদের উপযোগী গঠনমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে পৃথক এ প্ল্যাটফর্ম গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য হলো নারীদের মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ জাগ্রত করা, আত্মশুদ্ধির চর্চা বাড়ানো এবং ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে নৈতিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা। এ ছাড়া সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার নীতিকে সামনে রেখে নারী শিক্ষার্থীদের আদর্শিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাঁচটি প্রধান কর্মসূচি

সংগঠনটির কার্যক্রম পাঁচটি প্রধান ধারায় পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে। এগুলো হলো—ইলম ও তারবিয়াত, আমল ও তাযকিয়া, তাবলিগ, তানজিম এবং ইনকিলাব।

‘ইলম ও তারবিয়াত’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান ও আদর্শিক শিক্ষার সমন্বয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ‘আমল ও তাযকিয়া’ ধারায় নিয়মিত ইবাদত, আত্মশুদ্ধি, সুচরিত্র ও আল্লাহভীতির চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ‘তাবলিগ’ কর্মসূচির আওতায় নারী সমাজের কাছে ইসলামের দাওয়াত ও নীতি-আদর্শ তুলে ধরা হবে।

অন্যদিকে, ‘তানজিম’ ধারায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আর ‘ইনকিলাব’ কর্মসূচির মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সামাজিক পরিবর্তন ও ইতিবাচক রূপান্তনে ভূমিকা রাখার কথা বলা হয়েছে।

শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্ব

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় গুরুত্ব দেবে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং দেশ গঠনে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ জোরদার করার বিষয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটির আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কেরামের (রা.) জীবন ও কর্মকে অনুসরণীয় হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিশেষ করে হযরত আয়েশা (রা.)-সহ নারী সাহাবিদের শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, দাওয়াহ ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আদর্শবান, নৈতিক, দায়িত্বশীল ও জ্ঞানভিত্তিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের তারিখ, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি।