পেজ দ্যা নিউজ
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম
টঙ্গীতে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল লক্ষ্মীপুরে পিএলইটির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লিও জেলা পাস্ট প্রেসিডেন্ট ফোরামের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা গো আপ ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় ধাপে বান্দরবানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে শেরপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেলের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতার অভিযানে বদলে গেল চান্দগাঁওয়ের চিত্র, বৃক্ষরোপণে সবুজের বার্তা নেত্রকোনায় ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের জেলা কমিটি অনুমোদন; আহ্বায়ক রকি, সদস্য সচিব জহিরুল ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ইউপি সদস্য, আবেদনে গৃহিণী; নীতিমালা জেনে ব্যবস্থা নেবেন ইউএনও
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

আ.লীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় জামায়াত নেতা—লাইভ করা কর্মী ব‌হিস্কার

পেজ দ্যা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৩৮ পিএম

নিজস্ব প্রতি‌নি‌ধি : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় গিয়ে আলোচনায় এসেছেন জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন দলের এক কর্মী, যিনি পরে বহিষ্কৃত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার। বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মো. সেলিমকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিলে তাকে সীতাকুণ্ড থানায় নেওয়া হয়। এরপর তাকে ছাড়াতে থানায় যান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর স্পেশাল ইউনিটের রুকন প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম।

এ ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচার করেন জামায়াতকর্মী রুবেল আনছারী। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। তবে পরবর্তীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

গত বুধবার উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মু. কুতুব উদ্দিন শিবলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়—রুবেল আনছারী বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন এবং এর দায়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “রুবেল আনছারী গত ১৪ সেপ্টেম্বর ফেসবুক লাইভে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম মেম্বারকে থানায় থেকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করেছেন জামায়াত নেতা প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম। এ বক্তব্য মিথ্যা ও বানোয়াট।”

অন্যদিকে বহিষ্কারের পর নিজের ফেসবুক পোস্টে রুবেল আনছারী দাবি করেন, প্রফেসর জাহাঙ্গীর সত্যিই থানায় গিয়েছিলেন। তিনি আরও লেখেন, “সত্য বলার কারণেই আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির তৌহিদুল হক চৌধুরীও মন্তব্য করেন যে প্রফেসর জাহাঙ্গীর থানায় গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে।

ঘটনাটি নিয়ে সীতাকুণ্ডে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।