ঢাকাসোমবার , ৪ আগস্ট ২০২৫
  • অন্যান্য
  1. ইতিহাস
  2. জাতীয়
  3. ধর্ম
  4. প্রযুক্তি
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. মতামত
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষাঙ্গন
  10. সর্বশেষ
  11. সারাদেশ
  12. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

আজ ৪আগস্ট লক্ষ্মীপুর স্বৈরাচার পতন দিবস

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
আগস্ট ৪, ২০২৫ ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের ইতিহাসে ৪ আগস্টের স্থান অনন্য এবং গৌরবময়। ২০২৪ সালের এই দিনে জেলার ছাত্র ও সাধারণ মানুষ স্বৈরশাসন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং প্রশাসনিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাজপথে নামেন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে উদ্ভূত হওয়া প্রতিরোধ-আন্দোলন রক্তাক্ত হলেও তা স্থানীয়ভাবে “স্বৈরাচার পতন দিবস” হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বমুক্ত করার লক্ষ্যে ছাত্র-জনতাভিত্তিক আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তরুণরা। এদিন চার সাহসী তরুণ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন টিপুর হাতে নিহত হন, যাদের শহীদ হিসেবে স্মরণ করা হয়। তারা হলেন—সাদ আল আফনান,কাউছার হোসেন বিজয়,ওসমান পাটোয়ারী,সাব্বির হোসেন রব।

আন্দোলনের সময় ‘আল্লাহর প্রতি ভরসা’ ও ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার’ প্রত্যয়ে রাজপথে নেমে আসেন লক্ষ্মীপুরের তরুণ-যুবকরা। মুখে “আল্লাহু আকবার”, অন্তরে শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা—এই দৃশ্যকে স্থানীয়রা তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অন্যতম অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করেন।

অংশগ্রহণকারীদের মতে, ৪ আগস্টে লক্ষ্মীপুরে শুরু হওয়া গণপ্রতিরোধই পরদিন সারাদেশে বিস্তৃত লাখো মানুষের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। আহত ও প্রচুর সহিংসতার মধ্যদিয়ে এদিনটি লক্ষ্মীপুরের মানুষের কাছে প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়—পরিবর্তন, সাহস ও স্বাধীনতার।

২০২৫ সালের ৪ আগস্টে দিনটিকে স্মরণ করে লক্ষ্মীপুরে শহীদদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও শোকর‌্যালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানগুলোতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন প্রজন্ম ঘোষণা করছে—ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে তাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল সংবাদ, নিবন্ধ, আলোকচিত্র, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সম্পদ। কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো তথ্য বা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট কপি, প্রকাশ বা অন্য কোনো উপায়ে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করে।