ঢাকামঙ্গলবার , ৫ মে ২০২৬
  • অন্যান্য
  1. ইতিহাস
  2. জাতীয়
  3. ধর্ম
  4. প্রযুক্তি
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. মতামত
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষাঙ্গন
  10. সর্বশেষ
  11. সারাদেশ
  12. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

“স্বপ্ন শেষ হলো কফিনে: যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণ হারানো লিমনের দাফন সম্পন্ন”

আশিকুর রহমান
মে ৫, ২০২৬ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি: মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন। উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্টে। সেখানে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএইচডি করছিলেন তিনি। মা-বাবার বুকভরা আশা ছিল ছেলে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরবেন দেশের মাটিতে। লিমন মা-বাবার কাছে ফিরেছেন ঠিকই, তবে নিথর দেহে, কফিনবন্দি হয়ে মৃত্যুর সার্টিফিকেট নিয়ে ।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের জহুরুল হক ও লুৎফুন নেছা লতার দুই ছেলের মধ্যে লিমন বড়। উচ্চ শিক্ষার জন্য ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্টে যান তিনি। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা’তে পিএইচডি করাকালীন স্থানীয় শহরের একটি ভাড়াটে বাসা থেকে গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন তিনি। এর ১০দিন পর অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল ওই শহরের একটি ব্রিজের নীচ থেকে লিমনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে শেরিফ পুলিশ। লিমনের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে হলেও থাকতেন ঢাকার গাজীপুরে মা-বাবার সাথে।

সোমবার বিকাল সোয়া ৩ টায় গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামে লিমনের মরদেহ পৌঁছে। শেষবারের মতো তাকে দেখতে মুহূর্তের মধ্যে বাড়ীর আঙ্গিনায় হাজারো মানুষ ভীড় জমে। গ্রাম জুড়ে সৃষ্টি হয় শোকের আবহ। নিকটতম আত্মীয় স্বজনরা কবরস্থান ঘুরে দেখেন।

নিহত লিমনের বাবা বলেন, আমার ছেলের মতো যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য বাহিরে গিয়েছে তাদের নিরাপত্তা যেন আরো জোড়দার করা হয়। সেই বিষয়ে যেন সেই দেশের সরকার এবং বাংলাদেশের সরকার খুবই ভালোভাবে কাজ করে।

মাগরিব পর নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল সংবাদ, নিবন্ধ, আলোকচিত্র, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সম্পদ। কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো তথ্য বা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট কপি, প্রকাশ বা অন্য কোনো উপায়ে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করে।