উদ্বোধনী দিনে বিশ্বকাপের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামে গঞ্জে
সারা বিশ্ব যখন ব্যস্ত ফুটবল নিয়ে। ঠিক তখন বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন গ্রাম গঞ্জের হাজার হাজার মানুষ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১ টায় অনুষ্ঠিত হয় তেইশতম ফিফা বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডা তিন দেশ মিলে ৪৮ দেশ নিয়ে এবারের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাত ১ টায় অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম ম্যাচ দেখার জন্য গভির রাতে ভিড় জমেছে গ্রাম গঞ্জের বিভিন্ন খোলা মাঠে।
গভীর রাতে প্রত্যাহিক নিয়মানুসারে ঘুমে থাকার কথা থাকলে বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে তার ব্যতিক্রম ঘটে। নিদ্রাকে উপেক্ষা করেছে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ফুটবল প্রেমীরা। দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের পাশাপাশি বিশ্বকাপে উৎসব দেখে গেছে প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জেও।
শিশু, কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণদের উপস্থিতও ব্যাপক লক্ষ্য করা যায়। কেউ টিভিতে কেউ মোবাইলে কেউবা বড় পর্দা টাঙিয়ে উপভোগ করছেন ফুটবল খেলা। অনেকে খোলা মাঠের নিচে খেলা উপভোগের পাশাপাশি করছেন তর্ক বিতর্ক।
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিজেদের পছন্দের দলকে ঘিরে দেখা যায় কথার কথার তুমুল লড়াই। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছেন একে-অপরের পছন্দের দলকে। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কারো কারো হাতে দেখা মেলে পতাকা। এবং গায়ে দেখা মেলে জার্সির।
এ যুক্তিতর্ক কোন যুদ্ধ নয়, এ যুক্তিতর্ক আনন্দের। খেলার প্রতি আগ্রহ এবং খেলা উপভোগের প্রতি আগ্রহ জোগাতে করছেন যুক্তিতর্ক। সব মিলিয়ে খোলা মাঠ গুলো পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলার। অনেকে ফটকা ফাটিয়ে আবার কেউ সাউন্ড বক্সের গানের তালে তালে নাচাগানাও করছেন।
এ বিষয়ে ভেলাকোপার বাসিন্দা মোঃ গনি মিয়া বলেন, চার বছর পর পর খেলা শুরু হয়। এই খেলা দেখার জন্য সারাবিশ্ব তাকিয়ে থাকে। আমরাও ঠিক একই রকমভাবে বিশ্বকাপ খেলা দেখার জন্য তাকিয়ে আছি। যদিও এবার খেলা রাতে হচ্ছে তাও আমরা গ্রামের অনেক লোক এখানে এসেছি।
সবার সাথে দেখা হচ্ছে কথা হচ্ছে দল সমর্থন নিয়ে তর্ক বির্তক হচ্ছে সব মিলিয়ে খুবই ভালো লাগছে। আমি দল হিসাবে সাপোর্ট করি জার্মানির।
খেলা দেখতে আসা আরেকজন ফুটবল প্রেমী হাসান বলেন, আমি ব্রাজিলের সমর্থন করি। তবে আজকে মেক্সিকো আর সাউথ আফ্রিকার খেলা দেখতে এসেছি। মেক্সিকো অনেক ভালো দল। তবে আফ্রিকাও খারাপ না বিশ্বকাপে চান্স পাওয়া সব দলেই ভালো। এখানে এসে ভালো লাগতেছে এর কারণ সবাই এক সাথে রাত জেগে খেলা দেখতেছি।
শহরের পাশাপাশি গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে দেখা যায় উৎসবের আমেজ।
